
নোয়াখালীর চাটখিলে যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক যুবদল নেতা কে নির্দোষ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে চাটখিল উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেল পাঁচটায় চাটখিল উপজেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চাটখিল উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক শাহজান রানা, এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন পৌরসভা বিএনপির সদস্য সচিব আহসানুল হক মাসুদ, উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ন আহবায়ক আলা উদ্দিন ভূইয়া, ইমাম হোসেন টিপু, আনিস আহমেদ হানিফ, মিজানুর রহমান, পৌরসভা বিএনপির সদস্য দেওয়ান শামসুল আরেফিন শামিম প্রমুখ।
বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, তিন দিন আগে চাটখিল পৌরসভার হাজী বাড়ি এলাকায় বোরকা পরিহিত কয়েকজন নারী ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ করছিলেন। এ সময় যুবদল কর্মী আরশাদ উল্যা নাঈমসহ কয়েকজন বাধা দিলে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। পরদিন নাঈম মিছিলে অংশ নেওয়ার সময় তার নতুন ভাড়া বাসায় তিনজন বোরকা পরিহিত নারী সন্দেহজনকভাবে প্রবেশ করেন। পরে রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথ অভিযানে তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে বাথরুমের ভেন্টিলেটরের কার্নিশ থেকে দুইটি গুলি উদ্ধারের অজুহাতে তাকে আটক করে—যা পরিকল্পিত বলে দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, তফসিল ঘোষণার পূর্বে রামনারায়নপুর ইউনিয়নের যুবদল সভাপতি জাহিদুল ইসলাম রুবেলের বাড়ির বারান্দায় পুরনো অস্ত্র রেখে তাকে আটক করার ঘটনাও নির্বাচন ও প্রশাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা ছিল।
এছাড়া গত ২৫ জানুয়ারি রাতে পরকোট ইউনিয়নের বিএনপি নেতা হুমায়ন কবিরের নতুন ঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
বিএনপি নেতারা বলেন, অতীতে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে তাদের নেতাকর্মীরা গুম, খুন, মিথ্যা মামলা ও কারাবরণের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও যদি হয়রানি অব্যাহত থাকে, তাহলে জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হবে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলন থেকে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, কোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে বিএনপি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে।